baner

একটা ফেরিওয়ালার গল্প

 

একবারে একটি শহরের একটি বড় নদীর সাথে একটি ছোট ফেরিওয়ালা যেন বসে থাকে। তার নাম রমেশ। রমেশের দৈনিক জীবন একটি নদীর উপর ফেরি চালানোর কাজে নির্ধারিত। এই কাজের মাধ্যমে তিনি নিজের পরিবারের জীবন চালিয়ে আনেন।  রমেশ একটি ছোট ফেরি নিয়ে থাকে, যা কিছু ছোট গাড়ি ও পথচারী লোকের মাধ্যমে নদীর দুই পারে যাওয়ার সেবা দেয়। তার দিনের কাজ শুরু হয় সকালে। সকালের ঠিক আগে, রমেশ নদী দিকে চলে যায়, তার ফেরি প্রস্থান করে এবং পাঠকে পার করে আনেন। এই প্রক্রিয়া দিনে কিছুবার হয়ে যায় দুপুরে পর্যন্ত।  রমেশের ফেরি জীবন সাধারণ, কিন্তু তার জন্য এটি খুশির সময়। তার বাচ্চাদের প্রশাসনিক শিক্ষা এবং একটি সুস্বাস্থ্য জীবনের জন্য তার এই দৈনিক কাজ খুব গুরুত্বপূর্ণ।  রমেশ একদিন ফেরি চালানোর সময় নদীর সাথে খেলাঘরের সাপেক্ষে দেখে একটি অদ্ভুত ব্যক্তি। সেই ব্যক্তি একটি বড় পাথরের মুরগির মতো দেখে। তার মুখে একটি সুদর হলুদ পুরস্কার আছে। রমেশ সংশয়গ্রস্ত হয়, কিন্তু যেটি তার নজরে পড়ে, সেটি হলুদ পুরস্কারের একটি সুস্থ জিনিস!  প্রথমে তার মানসিকতা দুশ্চিন্তা করে, কিন্তু তার দেশপ্রেম এবং সাহস তাকে প্রাণ্ত করে তুলে ধরে। রমেশ অপরাধী ব্যক্তিটির দিকে দৌড়ায়, পুরস্কারটি নিয়ে যায় এবং সবার আগে নদী দুই পারে পৌঁছে যায়। এই অদ্ভুত ঘটনা শহরে প্রশংসা পেয়ে এসে, এবং রমেশ বুদ্ধিমত্তা এবং সাহসের সাথে পরিপূর্ণ হয়।  এই গল্প দেখা দেয় যে সাধারণ মানুষের দ্বারা একটি অদ্ভুত ঘটনা ঘটাতে সম্ভব, যখন তারা সাহস এবং আগ্রহ সাথে কাজ করে।   একটা রোমান্টিক গল্প:  একবারের বৃষ্টির সময়, শহরের নানা গলিতে অতিরিক্ত পানির ভেতরে যেটি এসে যায়, তা মেঘের সাথে একটি প্রেমের গল্পে পরিণত হলো।  ফেরিওয়ালা স্টেশনের নিচের গলিতে, একটি ছোট ফেরিওয়ালা ছিল, যার নাম আহাদ ছিল। সকালের জন্য, তিনি ট্রেনের টিকেট পরিশোধ করতে আসতেন, এবং সন্ধ্যে ঘরে ফিরে আসতেন, তার ছোট ফেরিওয়ালা ব্যবসা চালানোর জন্য।  একটি সন্ধ্যে, যখন বৃষ্টি তেমন ভরে পড়ছিল যে উমর ছড়ায়, একটি মেঘের সাথে পানির ছবি তৈরি করতে এসে যেত, আহাদ এই ছবি দেখলে, সে আকর্ষিত হয়।  একদিন, আহাদ মেঘের সঙ্গে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল। সে একটি পাকানো ছাড়া আবার মেঘের সঙ্গে যাবার জন্য সবকিছু ছেড়ে দেয়, এবং সে মেঘের সঙ্গে সময় কাটাতে শুরু করে।  মেঘের সাথে সময় কাটার মাধ্যমে, আহাদ একটি নতুন দৃষ্টিকোণ পেত, তার স্বপ্নের লক্ষ্য চেনার মাধ্যমে।  একদিন, একটি সুন্দর সন্ধ্যে, মেঘ আকাশ থেকে উপরে সাঁতার দিয়ে যায় এবং আহাদের দিকে মুখ করে। সে আহাদের কাছে নামল, এবং তাদের মধ্যে একটি সুন্দর সম্পর্ক শুরু হয়।  এই ভালোবাসার গল্প দেখাচ্ছে যে, সময়ের সাথে এবং সম্পর্কের মাধ্যমে আমরা নতুন সৃজনশীল দৃষ্টিকোণ পেতে পারি, আমাদের স্বপ্নগুলি অনুসরণ করতে।  একবারের কথা, ঢাকার সবচেয়ে বড় ফেরিওয়ালা আলি জানতেন যে শহরে তার বাচ্চা বুদ্ধিমত্তা স্কুলে একজন গণিত শিক্ষক ছিলেন। তার ছেলে আব্বাস খুব ভালো ছাত্র, তবে তার মেয়ে আয়েশা গণিতে দুর্বল ছিলেন।  একদিন আয়েশা আপনার বাবা সাথে গণিতের সমস্যা সমাধান করতে অনুরোধ করলেন, কারণ এটি তার পরীক্ষা এসেছিল। আলি খুব উদ্বুদ্ধ হয়ে গেলেন এবং আয়েশার সাথে সমস্যাগুলি দেখার জন্য নিজেও গণিতে একটি চেষ্টা করতে উৎসাহিত হন।  সমস্যাগুলির মধ্যে একটি বেশ কঠিন ছিল, কিন্তু আলি ক্ষুদ্র গণিত প্রিয়ার সাথে একটি অদ্ভুত প্রয়াস করে সমস্যা সমাধান করতে সফল হন। আয়েশা সমস্যা সমাধান দেখে স্বাগত হলেন এবং তার পরীক্ষা সফল হয়।  আলি আয়েশার জন্য গণিতে আরও উপযুক্ত সাধনা এবং উপসর্গ প্রদান করেন এবং সেই সমস্যা সমাধান একটি দুর্লভ শিক্ষানীতি স্থাপন করেন। এই উপকরণ দেখে আয়েশা এবং অন্যান্য ছাত্রছাত্রীরা গণিতে আরও উচ্চ স্তরে পৌঁছে যান।  এই গল্প শেষ হয় সেই প্রতিষ্ঠানের গণিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে আলিকে স্মরণ রাখে, যেটি তার ছাত্রছাত্রীদের জীবনে একটি দুর্লভ স্নেহমূর্তি প্রদান করে।  এই গল্প দেখানো যেতে সাধারণ মানুষের সাথে মেহেনতের শক্তি এবং সাহস কতটা উৎক্ষিপ্ত প্রভাব ফেলতে পারে।

Post a Comment

0 Comments